কাইউম পারভেজ: আজ আমাদের মাঝে এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যিনি ২০১৮তে সারা বিশ্বের প্রভাবশালী প্রথম একশোজন মানুষের মধ্যে একজন। এটা আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ অভিধার চেয়ে বড় হলো তিনি নতুন বাংলাদেশের জননী। তিনি বাংলাদেশের জননেত্রী। তাহলে সে কোন নতুন বাংলাদেশ?
অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় যে বাংলাদেশের উত্তোরণ ঘটেছেস্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে । জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নীতি সংক্রান্ত কমিটি (সিডিপি) গত ১৫ মার্চ এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের জন্য মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক এ তিনটি সূচকের যে কোন দুটি অর্জনের শর্ত থাকলেও বাংলাদেশ তিনটি সূচকের মানদন্ডেই উন্নীত হয়েছে।জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের (ইকোসক) মানদন্ড অনুযায়ী এক্ষেত্রে একটি দেশের মাথাপিছু আয় হতে হবে কমপক্ষে ১২৩০ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ১৬১০ মার্কিন ডলার। মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ প্রয়োজন হলেও বাংলাদেশ অর্জন করেছে ৭২ দশমিক ৯। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক হতে হবে ৩২ ভাগ বা এর কম যেখানে বাংলাদেশের রয়েছে ২৪ দশমিক ৮ ভাগ।‘যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে আজকের এই উত্তরণ এক বন্ধুর পথ পাড়ি দেয়ার ইতিহাস। সরকারের রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের এটি একটি বড় অর্জন। সেটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও বাংলাদেশের সাহসী এবং অগ্রগতিশীল উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের জন্য যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কাঠামোগত রূপান্তর ও উল্লেখযোগ্য সামাজিক অগ্রগতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়নের পথে নিয়ে এসেছে।বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এর অভ্যুদয়ের ৫০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে যুক্ত হলো দ্রুততগতিসম্পন্ন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ যার উৎক্ষেপণ আগামী ৪ঠা মে। এবং কাজ শুরু হয়ে গেছে স্যাটেলাইট-২এর উৎক্ষেপনের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃতে বাংলাদেশের যে অর্জন তথা এমডিজি (মিলিনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল), এসডিজি (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল) বাস্তবায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা, কৃষি, দারিদ্র্যসীমা হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, রপ্তানীমূখী শিল্পায়ন, একশোটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্প, রপ্তানী আয় বৃদ্ধিসহ নানা অর্থনৈতিক সূচক। পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহ বাংলাদেশের অর্জন। ক্ষুদ্র আয়তনের একটি উন্নয়নশীল দেশ হয়েও বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সারা বিশ্বের কাছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগের নিবিড় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবহার এবং দারিদ্র দূরীকরণে তার ভূমিকা, জনবহুল দেশে নির্বাচন পরিচালনায় স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুতা আনয়ন, বৃক্ষরোপণ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন প্রভৃতি ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে জন্ম নেওয়া এই বাংলাদেশকে আজকের অবস্থানে আসতে অতিক্রম করতে হয়েছে হাজারো প্রতিবন্ধকতা। যুদ্ধ বিধ্বস্ত, প্রায় সর্বক্ষেত্রে অবকাঠামোবিহীন সেদিনের সেই সদ্যজাত জাতির ৪৭ বছরের অর্জনের পরিসংখ্যানও নিতান্ত অপ্রতুল নয়। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৮টি লক্ষ্যের মধ্যে শিক্ষা, শিশুমৃত্যুহার কমানো এবং দারিদ্র হ্রাসকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য উন্নতি প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছে। নোবেল বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্বকে চমকে দেবার মতো সাফল্য আছে বাংলাদেশের। বিশেষত শিক্ষা সুবিধা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার ও জন্মহার কমানো, গরিব মানুষের জন্য শৌচাগার ও স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান এবং শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম অন্যতম।
এবার তাহলে আমার এক সহকর্মীপ্রফেসর বিল বিলোটিরকথাটা বলি। মাসকয়েক আগে বাংলাদেশ থেকে ফিরে আমাকে বিল বললেন - তোমার দেশ থেকে ফিরে এলামপারভেজ। এটাই আমার প্রথম বাংলাদেশে যাওয়া। তুমি তো জানো আমার গবেষণার কাজে আমি প্রায়শঃই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় যাই। আমার ধারনা ছিলো বাংলাদেশ একটি অনুন্নত এবং পিছিয়ে পড়া দেশ। তবে এবারে স্বচক্ষে বাংলাদেশ দেখে আমার সে ধারনা তো পাল্টেছেই বরং কোন কোন ক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ ভারতের থেকেও অনেক উন্নত। আমি এবার নড়ে চড়ে বসলাম। বিলকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি বাংলাদেশের কোথায় কোথায় গেলে? বিল বললো তোমাদের উত্তরবঙ্গ প্রায় পুরোটাই ঘুরেছি। জিজ্ঞেস করলাম কিসে তোমার মনে হলো বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে - বললো মানুষের জীবনযাত্রার মান দেখে। বিল বলতে থাকলো - আমি ভারত এবং বাংলাদেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়েছি আমার কাছে মনেহয়েছে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ভারতের চেয়ে অনেক উন্নত। বিল আরো বললো তোমাদের ইনফ্রাস্ট্রাকচারের (অবকাঠামো) অগ্রগতি দেখে আমি অভিভূত।
কেবল প্রফেসর বিল বিলোটির কথা নয়। এ কথা সবারই কেবলমাত্র দলকানা এবং নষ্ট রাজনীতিবিদ ছাড়া। আমরা প্রবাসীরা যারা মাঝে মাঝে বা নিয়তই দেশে যাই সবারই এক কথা দেশে এক দারুণ সামাজিক অর্থনৈতিক এবং জীবনযাত্রার বিপ্লব ঘটে যাচ্ছে যদিও সবার একটাই নালিশ যানজটে জীবন দূর্বিসহ। যানজট যদিও সিডনি থেকে শুরু করে বেইজিং, সিঙ্গাপুর, হংকং, কুয়লালামপুরসহ সব দেশেই বিদ্যমান তবে আমাদের দেশের যানজট সহ্যের বাইরে। সেটাও দেশের উন্নয়নের অবদান। কেবল ঢাকা শহরেই ৪ লক্ষ গাড়ী চলে প্রতিদিন। যারা আগে সাইকেল বা রিক্সায় অফিস করতো এখন তারাও গাড়ীতে যায়। বৃহত্তর ঢাকা শহরে এখন দু ’কোটি মানুষ বাস করেন যা গোটা অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যার সমান। গাড়ী ছাড়াই যদি দু’কোটি লোক রাস্তায় নেমে পড়ে তবে তো বিশে^রবৃহত্তম ’জনজট’ ঘটবে খোদ ঢাকাতেই। এগুলোর সমাধানে হয়েছে/হচ্ছে উড়াল ব্রিজ বানিয়ে। কয়েক বছরের মধ্যেই দেখতে পাবো পাতাল রেল, সিটি রেল, মনোরেল আমাদের ঢাকা শহরেই। তাতে যানজটের অনেকটা সুরাহা হবে। এ সবই জননেত্রীর দূরদৃষ্টির ফসল। তাইতো বাংলাদেশের মানুষের কন্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে ”যতদিন তোমার হাতে দেশ -পথ হারাবে না বাংলাদেশ”।

লেখক
এখন এ দেশে কেউ না খেয়ে মরে না। মানুষের সার্বিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এখন আর কোন অভাব নেই। মঙ্গা (আশ্বিন কার্তিকের তীব্র অভাব)এখন চেষ্টা করেও খুঁজে পাওয়া যাবে না। গ্রামে গেলে দেখা যাবে ষাটের দশকের ছোট্ট শহরগুলো যেমন ছিল গ্রামের চিত্র এখন প্রায় অমনটাই। পাকা সড়ক। ঘরেবিদ্যুৎ। মধ্যম আয়ের কৃষকের বাড়িতে কেবলসংযোগসহ রঙ্গিন টেলিভিশন, ফ্রিজ। গৃহস্থঘরের ছেলেমেয়েদের কারও হাতে ল্যাপটপ, কারও হাতে ডেস্কটপ। মোবাইল স্মার্টফোন প্রায় সবার কাছে।
বলদের হালের চাষ উঠে গিয়ে এখন পাওয়ারটিলারে চাষ হয়। নিজে অথবা যৌথভাবে সক্ষম কৃষক পাওয়ার টিলার কিনে নিজেদের জমিতে হালচাষ করার পর ক্ষুদ্র কৃষকের জমিতে ভাড়ায় চাষ করে দেয়। এতে সময়ও বাঁচে, খরচও কম। সেচের ক্ষেত্রেও তাই। হালে বড় গৃহস্থরা বীজ ও চারা রোপণ করে যন্ত্রে। এই যন্ত্র ভাড়াও দেয়া হয়। ধান কাটার জন্য ভাড়ায় চালিত হারভেস্টার মাঠে গিয়ে ধান কেটে মাড়াই করে বস্তায় ভরে গৃহস্থ ও কৃষক বাড়ির আঙিনায় পৌঁছে দেয়। ভ্রাম্যমাণ হাসকিং মেশিন বাড়ির উঠোনে গিয়ে ধান ভেঙ্গে চাল করে দেয়।
সেদিনের সেই ঢেঁকি (মনে পড়লো ব্রিটিশ আমলে একজন ব্রিটিশ এক বাঙালিকে জিজ্ঞেস করেছিলো ডযধঃ রং পধষষবফ উযবশর?বাঙালি উত্তরে বললোঢেঁকি মিনস্ -ওয়ান উমেন ধাপুর ধুপুর টু উইমেন ক্লিয়ারিং) এখন এ্যান্টিকসের পর্যায়ে। কৃষি প্রধান উত্তরাঞ্চলসহ দেশের প্রতিটি জায়গায় কৃষক এখন নিজেদের গরজে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল ধরনের ফসল ফলাচ্ছে।গ্রামে পাকা রাস্তা হওয়ায় শহরের সঙ্গে সময় দূরত্ব অনেক কমেছে তো বটেই গ্রামের মধ্যেই যাতায়াত অনেক সহজ হয়ে গেছেসিএনজি চালিত অটোরিকশা আর ব্যাটারি চালিত যানবাহনে।
কৃষক তার উৎপাদিত পণ্য হাট-বাজারে বিক্রির জন্য এখন আর গরুর গাড়ি ব্যবহার করে না। টিলারের সঙ্গে ট্রলিজুড়ে পণ্য বোঝাই করে নিয়ে যায়। কৃষক এখন ফসল উৎপাদনের পাশাপশি পুকুরে মাছ চাষ, পোলট্রি ও ডেইরি ফার্ম হাঁস-মুরগি গরু-ছাগল পালন করছে।শাক-সবজির এখন বাম্পার ফলন। সারা বছর সব ধরনের সবজীতে ছয়লাব বাংলাদেশ।উৎপাদিত এ সব পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে রীতিমত রফতানি হচ্ছে। আমরা প্রবাসীরা মাছ শাক সবজী যা খাচ্ছি কোথা থেকে আসছে? অধিকাংশই তো আমাদের দেশের। এখন চালও উদ্বৃত্ত তাই রফতানী হচ্ছে হরহামেশাই।কৃষকদের জন্য এখন কল সেন্টার আছে দিনভর। কৃষক নিজস্ব মোবাইল থেকে কল সেন্টারে ফোন করে জেনে নেন তাঁর প্রয়োজনীয় তথ্য।এখন ফসলের ক্ষেতে সোলার প্যানেল ব্যবহার করে সেচ দিচ্ছেন। ফলে বিদ্যুৎ গেলেও কোন সমস্যা নেই। বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে এখন হাতের নাগালেই বিদ্যুৎ।
বাংলাদেশের আজকাল ব্যাংক রিজার্ভই থাকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের উপরে। এ দেশ পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে করার সাহস রাখে। বাংলাদেশে দেশে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষা বিনা বেতনে তাও বই পুস্তক ফ্রি যা শিক্ষার্থীদের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেয়া হয়।
দু’কোটির উপর প্রবাসী বাঙালির রেমিটেন্স গোটা দেশের অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। যেমন বেড়েছে শিক্ষার হার তেমনি বেড়েছে প্রবাসে পড়তে আসা আমাদের ছেলেমেয়েদের সংখ্যা। এই সিডনিতেই এদের সংখ্যা ২০/৩০ হাজার। সাতচল্লিশ বছর আগে এসব ছিলো অলীক কল্পনা। আজ বাংলাদেশের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মাত্র ৫% বেকার। অস্ট্রেলিয়ায় এখন বেকার ৬-৮%।
গার্মেন্টস শিল্প দেশে এনেছে অন্যমাত্রার বিজয়। শুধু যে অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটিয়েছে তা নয় নারীকে করেছে স্বাবলম্বী - উদ্বুদ্ধ করেছে নারীর ক্ষমতায়ন। নারীকে করেছে উপার্জনক্ষম। বিশে^র কোন দেশ আছে যে দেশের প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিরোধী দলের প্রধানরা এবং জাতীয় সংসদের স্পীকার সম্মানিত নারী। জননেত্রী- আমাদেরগর্ব আপনি আজ বিশ্বের নারী ক্ষমতায়নের রোল মডেল। বিশ^ আজ আপনাকে অনুকরণ করছে।
দেশের প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ প্রবীণকে ‘সিনিয়র সিটিজেন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।বিশেষ মর্যাদা পাওয়া এই সিনিয়র সিটিজেনরা নিয়মিত সরকারী ভাতাসহ সব ধরনের পরিবহনে কম ভাড়ায় যাতায়াত, হাসপাতালে সাশ্রয়ী মূল্যে আলাদা চিকিৎসাসেবা, আলাদা বাসস্থান সুবিধা পাবেন। এঁদের থাকবে আলাদা পরিচয়পত্র।আরো হয়েছে ওয়ান স্টপ সেন্টার। হয়েছে কম্যুনিটি ক্লিনিক। বিশে^র আধুনিক শহর গুলোর মত হয়েছে ৯৯৯ জরুরী কল সার্ভিস - হেল্প লাইন। এসবই তো আপনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ। আবারও বলি ” যতদিন তোমার হাতে দেশ -হবেই হবে সোনার বাংলাদেশ”।
দেশনেত্রীর নেতৃত্বে সবচে’ বড় বিজয় হলো আমাদের স্বাধীনতার সাথে যারা বেঈমানী করেছে, যারা সরাসরি বিরোধীতা করেছে সেই যুদ্ধাপরাধী কুলাঙ্গারদেরবিচার হয়েছে/হচ্ছে। যত দূরেই থাকি আমার দেশের এ সাফল্য অগ্রগতি সম্মান যে জননেত্রী এনে দিয়েছেন তাঁর জন্য আজ ”উন্নত মম শির”। নেত্রী আজ আপনি দেশে বিদেশে যেভাবে অক্লান্ত ছুটছেন দেশের উন্নয়নে, দেশের মানুষের কল্যাণে আর সম্মানে সে অগ্রযাত্রায় আমরা আছি আপনার সাথে। করুণাময় আল্লাহতায়ালা আপনার সাথে থাকুন আপনার সব সুকুমার সৃষ্টি সহজ করে দিন। আপনাকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার সার্বিক ক্ষমতা দিন এটাই আমাদের প্রার্থণা। নেত্রী অভিনন্দন - প্রাণঢালা অভিনন্দন আপনাকে। আপনি ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন। জয় বাংলা।